সিটিসি, গ্রিন না হোয়াইট টি — কোনটা আপনার জন্য?
ব্ল্যাক (সিটিসি), গ্রিন আর হোয়াইট — তিন রকম চা-ই আসে একই গাছ থেকে, ক্যামেলিয়া সিনেনসিস। পার্থক্য হয় পাতা প্রক্রিয়া করার ধরনে —…
আরও পড়ুন৭ দিনের মধ্যে প্যাক করা
কোনো রং বা ভেজাল নেই
২–৪ দিনে সারা দেশে
ক্যাশ অন ডেলিভারি, বিকাশ, নগদ
সকালের কড়া দুধ চা থেকে সন্ধ্যার হালকা হোয়াইট টি — দেখে নিন আমাদের শ্রীমঙ্গলের বাগানে কী জন্মায়।
আমাদের রোজকার কড়া কাপ — গাঢ়, মল্টি স্বাদ আর উজ্জ্বল তামাটে লিকার। ঘরে বসে দুধ চা বা টং-দোকানের চায়ের জন্য একদম ঠিক।
পছন্দের চা আর প্যাকেট সাইজ বেছে কার্টে যোগ করুন।
এক পাতাতেই নাম, মোবাইল নম্বর আর ঠিকানা — অথবা সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার।
আমরা ফোন করে নিশ্চিত করি, ২–৪ দিনে পৌঁছে দিই, আপনি হাতে পেয়ে টাকা দেন।
বিশ্বস্ত কুরিয়ারে ৬৪ জেলায় পৌঁছে দিই।
শ্রীমঙ্গলের ঢেউখেলানো পাহাড়, লাল দোআঁশ মাটি আর প্রচুর বর্ষা চায়ের জন্য আদর্শ। এখানেই বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং দেশের অনেক পুরোনো চা-বাগান।
প্রতিটি প্যাক একটি যত্নশীল, ঐতিহ্যবাহী যাত্রা পেরিয়ে আসে — একসাথে দুটি পাতা আর একটি কুঁড়ি।
ভোরে হাতে তোলা দুটি পাতা ও একটি কুঁড়ি
পাতা নরম হয় ও আর্দ্রতা কমে
রস বের করতে পাতা মোড়ানো হয়
অক্সিডাইজ ও শুকিয়ে স্বাদ ধরে রাখা
তাজা অবস্থায় সিল করে পাঠানো
ছোট ছোট বিষয়েই বড় পার্থক্য। বাগানে আমরা যেভাবে চা বানাই।
কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন — আমরা অর্ডার নেব, সঠিক চা বেছে দেব আর যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেব।
শনি – বৃহস্পতি, সকাল ৯টা – রাত ৯টা
সিলেট বিভাগের ভেতরে ৳৭০ আর সিলেটের বাইরে (সারা বাংলাদেশ) ৳১৩০। ৳২,০০০+ অর্ডারে ডেলিভারি ফ্রি।
সাধারণত সিলেটের ভেতরে ১–২ দিন আর অন্য জায়গায় ২–৪ কর্মদিবস, বিশ্বস্ত কুরিয়ারের মাধ্যমে (স্টেডফাস্ট, পাঠাও, রেডএক্স)।
সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি, এছাড়া বিকাশ, নগদ ও রকেট।
প্যাকেট নষ্ট অবস্থায় পৌঁছালে বা মান পছন্দ না হলে ৭ দিনের মধ্যে জানান — বিনা খরচে বদলে দেব।
হ্যাঁ! ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, অফিস ও দোকানে চা সরবরাহ করি, আর ঈদ, পূজা ও অনুষ্ঠানের জন্য নিজস্ব নামের গিফট বক্স বানাই। যোগাযোগ ফর্মে "পাইকারি" বা "কর্পোরেট গিফট" বেছে নিন।
ব্ল্যাক (সিটিসি), গ্রিন আর হোয়াইট — তিন রকম চা-ই আসে একই গাছ থেকে, ক্যামেলিয়া সিনেনসিস। পার্থক্য হয় পাতা প্রক্রিয়া করার ধরনে —…
আরও পড়ুনবাজারের সব চা যেমন বলা হয় তেমন নয়। পুরনো চা, রং মেশানো চা আর সস্তা ভেজাল প্রায়ই পাওয়া যায়। এই পাঁচটি সহজ…
আরও পড়ুনবাংলাদেশে সবচেয়ে ভালো চা কোথাকার — এই প্রশ্নে প্রায় সবাই একটা নামই বলেন: শ্রীমঙ্গল। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার এই ছোট শহরটিকে বলা…
আরও পড়ুনব্ল্যাক (সিটিসি), গ্রিন আর হোয়াইট — তিন রকম চা-ই আসে একই গাছ থেকে, ক্যামেলিয়া সিনেনসিস। পার্থক্য হয় পাতা প্রক্রিয়া করার ধরনে — আর তাতেই বদলে যায় স্বাদ, রং আর বানানোর নিয়ম।
সিটিসি মানে ক্রাশ, টিয়ার, কার্ল। পাতা পুরোপুরি জারিত (অক্সিডাইজড) করে ছোট দানায় পাকানো হয়, তাই কাপ হয় কড়া আর গাঢ় রঙের — দুধ চায়ের জন্য একদম উপযুক্ত। এটাই আমাদের টং দোকানের চা।
বানানোর নিয়ম: ফুটন্ত পানি, ৩–৪ মিনিট; দুধ চায়ের জন্য দুধসহ ২ মিনিট জ্বাল দিন।
গ্রিন টি জারিত করা হয় না, তাই এর সবুজ রং আর কাঁচা পাতার মতো তাজা স্বাদ থাকে। দুধ ছাড়া খান।
বানানোর নিয়ম: প্রায় ৮০°C পানি (ফুটানোর পর কয়েক মিনিট রেখে দিন), ২–৩ মিনিট। ফুটন্ত পানিতে তেতো হয়ে যায়।
হোয়াইট টি সবচেয়ে কম প্রক্রিয়াজাত: কচি কুঁড়ি আর পাতা শুধু শুকিয়ে নেওয়া হয়। কাপ হয় হালকা সোনালি, নরম আর মৃদু মিষ্টি।
বানানোর নিয়ম: ৭৫–৮৫°C পানি, ৩–৫ মিনিট। সাধারণের চেয়ে একটু বেশি পাতা দিন।